আজ শুক্রবার ║ ২১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ৩ নম্বর কালারমারছড়া ইউনিয়নে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছে আইএসডিই বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) কালারমারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ১ হাজার পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে পরিচালিত এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে আইএসডিই বাংলাদেশ। আয়োজকেরা জানান, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এর আগে হোস্ট কমিউনিটির বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে প্রায় ৩২ হাজার সুবিধাভোগীর মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।
বিতরণ কার্যক্রমে কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী, কালারমারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমান উল্লাহ, সাংবাদিক আবদু রহমান ও আইএসডিই এর মহেশখালী উপজেলা ব্যবস্থাপক মনজুর আলমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।
এউপলক্ষে আইএসডিই বাংলাদেশের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জাহাঙ্গীর আলম, মনিটরিং অফিসার মোস্তাক আহমেদ, লজিস্টিক কোঅর্ডিনেটর তাজ উদ্দোন, উপজেলা ব্যবস্থাপক জালাল উদ্দীন, সরওয়ার মাতব্বরসহ সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক মানুষ এখনো অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন। এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করে এবং সাময়িক হলেও স্বস্তি এনে দেয়।”
প্রধান শিক্ষক আমান উল্লাহ বলেন, “সমাজের বিত্তবান ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে অসহায় মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হয়। আইএসডিই বাংলাদেশের এ উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার।”
আইএসডিই বাংলাদেশের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।”
খাদ্য সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সুবিধাভোগীরাও। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন “বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সহায়তা আমাদের জন্য অনেক উপকারে এসেছে।”
আরেক সুবিধাভোগী বলেন, “আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এই সহায়তা অনেক বড় পাওয়া। পরিবার নিয়ে কিছুদিন স্বস্তিতে থাকতে পারব।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, উপকূলীয় এলাকায় দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on linkedin
Share on telegram
Share on skype
Share on pinterest
Share on email
Share on print