আজ সোমবার ║ ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ১১ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

কর্ণফুলীতে ৪,৬৩০ প্যাকেট বিদেশি নিষিদ্ধ সিগারেট জব্দ

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter

সিএমপি কর্ণফুলী থানার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শাহ আমানত সেতু এলাকায় থেকে ৪,৬৩০ প্যাকেট বিদেশি অবৈধ সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সিগারেটগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার ৮০০ টাকা। এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়েছে।

কর্ণফুলী থানার এসআই নূরে আলম বলেন, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে থানার ডিউটি চলাকালে পুলিশের কাছে সংবাদ আসে যে সেনাবাহিনী একটি বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনা করেছে এবং একটি ভ্যান থেকে অবৈধ সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও সেনা টিমের যৌথ উপস্থিতিতে, শাহ আমানত সেতুর টোল বক্সের প্রায় ১০০ গজ দূরে এই সিগারেটগুলো জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত সিগারেটের মধ্যে Patron / Guardian of Taste: ১৭৫ প্যাকেট, Nano Oris Premium Quality (Blend, Silver & Brown): ২৮৮ প্যাকেট
প্রতিটি প্যাকেটে ১০টি করে ছোট সিগারেট থাকায় মোট ৪,৬৩০টি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর টহল টিম জানিয়েছে, এসব সিগারেট অবৈধভাবে বিদেশ থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল ভ্যানটি এসএ পরিবহন লিমিটেডের, যা কেবল প্রাপক-প্রেরকের সাধারণ পণ্য পরিবহন করে। তবে কিছু অসাধু ব্যক্তি এই পরিবহনকে ব্যবহার করে চোরাচালান চালিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ ধরনের অবৈধ সিগারেট আমদানি The Special Power Act, 1974 এর ধারা ২৫বি ও ২৫ডি এর আওতায় অপরাধ। জব্দকৃত সিগারেট বৈধ লাইসেন্স বা কর স্ট্যাম্প ছাড়া বিক্রি করা সম্ভব নয়।

Nano Oris Premium Quality এবং Patron / Guardian of Taste ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশে বৈধভাবে উৎপাদিত নয়। দেশে বৈধ সিগারেটের জন্য সরকারী লাইসেন্স এবং কর স্ট্যাম্প থাকা বাধ্যতামূলক। এই অভিযান অবৈধ সিগারেটের বাজার বন্ধ এবং চোরাচালানকারীদের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

কাজির দেউড়ি এসএ পরিবহন লিমিটেডের জিএম মোর্শেদুল আলম বলেন, “আমাদের ভ্যান শুধুমাত্র প্রাপক ও প্রেরকের পণ্য পরিবহন করে। কখনো নিজস্ব মালামাল চালানো হয় না। তবে কিছু ব্যক্তি আমাদের গাড়ি আটকে হয়রানি বার বার হয়রানি করেছে। আমরা এমন আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।”

কর্ণফুলী থানার পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পলাতক আসামিদের সনাক্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযান অব্যাহত রাখছে বলে ওসি শাহীনূর আলম জানান। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে ঘটনাটি ৫ জানুয়ারির না। এটি আটকের ঘটনাটি আরো ৪/৫ দিন আগে। কিন্তু সেনাবাহিনী মামলা দেখিয়েছে গতরাতে। এ বিষয়ে স্বাক্ষীদের ফোনে কল করেও কোন মন্তব্য জানা যায়নি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on linkedin
Share on telegram
Share on skype
Share on pinterest
Share on email
Share on print