আজ সোমবার ║ ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ১১ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

রেলের উন্নয়নে একজন পরিশ্রমী ও দক্ষ অফিসার সুবক্তগীন

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter

বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের চলমান প্রক্রিয়ায় একজন পরিশ্রমী, সৎ ও মেধাবী কর্মকর্তার নাম খুঁজতে গিয়ে বারবার উঠে আসছে মো. সুবক্তগীনের নাম। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তাঁর সততা, মেধা ও অক্লান্ত শ্রম রেল পরিচালনায় নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
দীর্ঘ কর্মজীবনে সুবক্তগীন একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। রেলওয়ের জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ ব্যবস্থাপনায় তিনি শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। পূর্বাঞ্চলীয় রেলওয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি অবকাঠামোগত দুর্বলতা, অপচয়, ব্যবস্থাপনাগত শিথিলতা এবং যাত্রীসেবার সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে তা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
বিশেষ করে ট্রেন চলাচলের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা, স্টেশন ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, যাত্রী নিরাপত্তা ও সেবার মান বাড়ানো এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীল করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর দৃঢ় অবস্থান প্রশংসিত হচ্ছে। নিয়মিত তদারকি, মাঠপর্যায়ের সরেজমিন পরিদর্শন এবং বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি এনেছেন।
সততা ও নৈতিকতার প্রশ্নে সুবক্তগীন আপসহীন একজন কর্মকর্তা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান সুস্পষ্ট ও দৃঢ়। স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করাই তাঁর মূল নীতি। ফলে রেলওয়ের ভেতরে একটি জবাবদিহিমূলক পরিবেশ গড়ে উঠছে, যা দীর্ঘদিনের কাক্সিক্ষত সংস্কারের পথ সুগম করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিচ্ছেন। ডিজিটাল মনিটরিং, উন্নত পরিকল্পনা, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রেলওয়েকে সময়োপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চেষ্টা করছেন। তাঁর নেতৃত্বে পূর্বাঞ্চলীয় রেলওয়েতে কর্মীদের মধ্যে কাজের আগ্রহ ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানা গেছে।
বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেল একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খাত। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে রেলের ভূমিকা অপরিসীম। সেই বাস্তবতায় সুবক্তগীনের মতো পরিশ্রমী, মেধাবী ও সৎ কর্মকর্তার নেতৃত্ব রেলওয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে, এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ যাত্রীদের।
সার্বিকভাবে বলা যায়, সততা, দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমের সমন্বয়ে সুবক্তগীন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে একটি কার্যকর, গতিশীল ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন, এমন আশাবাদ এখন ক্রমেই দৃঢ় হচ্ছে। আগে যেখানে রেলের নানা অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হতো তিনি পূর্বাঞ্চলের জিএম হওয়ার পর অনিয়ম অনেকটা কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি দোহাজারি কক্সবাজার ডুয়েলগেজ রেল প্রকল্প সুনামের সাথে শেষ করেছেন। যেখানে রেলের বিপুল পরিমান অর্থ সাশ্রয় করেছেন।
উল্লেখ্য, গতবছরের ২৫ ডিসেম্বর সুবক্তগীন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে তিনি ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার ঢাকা, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী/পশ্চিমাঞ্চল, প্রধান প্রকৌশলী/পূর্বাঞ্চল সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে সুনামের সাথে দায়িত্বে পালন করেছেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on linkedin
Share on telegram
Share on skype
Share on pinterest
Share on email
Share on print