আজ বৃহস্পতিবার ║ ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

ইসরাইলকে আরও সহায়তার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের

গাজার কাছে ৩ লাখ সেনা মোতায়েন করেছেে ইসরাইল

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter

 

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে সন্ত্রাসবাদী দল হিসেবে আখ্যা দিয়ে ইসরাইলকে আরো সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ইসরাইলে গোষ্ঠীটির হামলা ‘স্পষ্ট শয়তানি কাজ’। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাইডেন এসব কথা বলেন। খবর রয়টার্সের।

বাইডেন বলেন, ইসরাইলকে আরও সামরিক সহায়তা দেবে ওয়াশিংটন। বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদসহ আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দেশটিকে দেওয়া হবে।

হামাসের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইসরাইলকে ‘যুদ্ধের আইন’ মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এ অঞ্চলে যে কোনো ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়াতে সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে হামাসের হামলার লক্ষ্যবস্তুর আশপাশে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে।

এ সময় ইরানকে ইঙ্গিত করে বাইডেন বলেন, আমি একটাই কথা বলতে চাই— কোনো দেশ, সংগঠন কিংবা কেউ যদি এ পরিস্থিতির ফায়দা নেওয়ার চিন্তা করে, তা হলে হিতে বিপরীত হবে।

পরে সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, হামাসের নৃশংসতা, রক্ত পিপাসা আমাদের আইসিসের ভয়াবহ তাণ্ডবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি স্পষ্ট সন্ত্রাসবাদ।
গাজার কাছে ৩ লাখ সেনা মোতায়েন করল ইসরাইল

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের অংশ হিসেবে অবরুদ্ধ গাজা সীমান্তে প্রায় তিন লাখ সেনা মোতায়েন করেছে ইসরাইল। দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জোনাথন কনরিকাস বলেছেন, হামাসের সাথে যুদ্ধের জন্য গাজা উপত্যকায় প্রায় তিন লাখ সেনা মোতায়েন রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেছেন, গাজা স্ট্রিপের (উপত্যকা) কাছাকাছি অঞ্চলগুলোতে আমরা যা করছি তা হলো- আমরা তিন লাখ সেনা মোতায়েন করেছি। এর মধ্যে আমাদের পদাতিক, সাঁজোয়া সেনা, আর্টিলারি কর্পস এবং রিজার্ভ থেকে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্রিগেড এবং ডিভিশন থেকেও সেনা পাঠানো হয়েছে। তারা এখন মিশনটি কার্যকর করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইসরাইলি সরকার অনুমোদ দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জোনাথন কনরিকাস আরও বলেন, আমরা এটি নিশ্চিত করতে চাই যে, এই যুদ্ধ শেষে হামাসের এমন কোনো সামরিক সক্ষমতা থাকবে না; যার দ্বারা তারা ইসরাইলি বেসামরিক লোকদের হুমকি দিতে বা হত্যা করতে পারে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on linkedin
Share on telegram
Share on skype
Share on pinterest
Share on email
Share on print