
নির্বাসন কিংবা দীর্ঘ কারাবাসই রাজনৈতিক জীবনের ইতি নয়। ইতিহাসে এমন বহু উদাহরণ রয়েছে, যেখানে কঠিন দমন–পীড়ন ও নির্বাসনের পর নিজ দেশে ফিরে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছেন বিশ্বনেতারা। জনগণের সমর্থন, আদর্শিক দৃঢ়তা ও দীর্ঘ সংগ্রামের শক্তিতে তারা রচনা করেছেন নতুন ইতিহাস। এমনই বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতার ফিরে আসার গল্প সারাবিশ্ব জানে। তারা হলেন পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো, ইরানের আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি, রাশিয়ার ভ্লাদিমির লেনিন, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, ফ্রান্সের নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। এই তালিকায় নাম লেখালেন বাংলাদেশের তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নেতৃত্ব বিএনপি ভূমিধস বিজয় লাভ করেছে। সারা দেশে ৩০০ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি ২১২ টি আসনে জয় লাভ করেছে। ২ টি আসনের ফলাফল স্হগিত রেখেছে আদালতের নির্দেশে ও ১ টি আসনে প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় পরে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল স্হগিত ২ টি আসনেও জয় লাভ করেছে ধানের শীষের প্রার্থী।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই প্রথমবার ২টি আসন বগুড়া – ৬ ও ঢাকা-১৭ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মহাকাব্যিক পরিবর্তনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত, মাঝখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর বাদ দিলে প্রায় ৩৪ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব ছিল দুই নেত্রীর কাঁধে। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান এবং পরবর্তী রাজনৈতিক মেরুকরণ নিশ্চিত করেছে যে, দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পর ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ এক নতুন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে।
২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর-এক মহানায়কের রাজসিক প্রত্যাবর্তনের দিন। এই দিনটি ইতিহাসে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিল। ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিনের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার দেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা তারেক রহমান কে রাজনীতি থেকে দুরে রাখতে সব আয়োজন সম্পন্ন করেছিলো। মিথ্যা মামলায় সাজা প্রদান, মিডিয়া দিয়ে নানারকম গুজব, নানারকম মুখরোচক মিথ্যা কল্পকাহিনী বানিয়ে প্রচার করেছিলেন দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য সন্তান নিজ মেধা মননে আজ বাংলাদেশের নেতায় পরিণত হয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবাধ সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে ৩৪ বছর পর নির্বাচিত পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। তিনি স্বপরিবারে দেশে আসার পর থেকেই বাংলাদেশে তারেক বসন্ত শুরু হয়েছে।
মাঝে ১৭ বছর লন্ডনে বসে তিনি দেখেছেন, একের পর এক নির্বাচনে তাঁর দল কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। দলের শীর্ষ নেতারা কারাগারে গেছেন, অনেক কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন, দলীয় কার্যালয় বন্ধ হয়ে গেছে। দলের নেতা-কর্মীদের খুন, গুম হওয়া ছিলো খুনী হাসিনার শাসনামলে নিত্য দিনের ঘটনা। গায়েবি মামলার বেড়াজাল, মিথ্যা মামলায় সাজা কি নির্মম অত্যাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চালিয়ে ছিলো তা দেশের জনগণ সহ সারাবিশ্ব অবগত।
তারেক রহমান দেশে ফিরে অনেক বেশি সংযত ভাষা ব্যবহার করছেন। উসকানিমূলক বক্তব্য এড়িয়ে তিনি সমঝোতা ও ঐক্যের কথা বলছেন। তিনি বলছেন, রাষ্ট্রের ওপর মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। এতে বিএনপির কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনী প্রচরণায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র মতো তিনিও সিলেট শাহজালাল (র:) ও শাহপরান (র:) মাজার জিয়ারত এর মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু করেন। সিলেট থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি বিভাগে জনসভায় বক্তব্য দেন। ২৫ জানুয়ারি ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানের জনসমুদ্রে বক্তব্য দেন। এই পলোগ্রাউন্ড ময়দান রাজনৈতিক ইতিহাসে একবারই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ছিলো তাও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র জনসভায়। খুনী হাসিনা একবার উদ্যােগ নিলেও কোটি কোটি টাকা খরচ করেও ময়দান পুরণ করতে পারে নাই। বীর চট্টলা থেকে খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, বগুড়া সহ দেশের প্রত্যেকটি বিভাগীয় জেলায় নির্বাচনী সফর করেন। দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাসে করে জেলায় জেলায় সফর করেন। মিশে যান সাধারণ মানুষের সাথে। ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে ভালুকায় এক কিশোরী বাস দাড় করিয়ে তারেক রহমান কে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি উপহার দেন। যা সোস্যাল মিডিয়ার কল্যানে সারা দেশের মানুষ দেখেছে। মঞ্চে না উঠে জনসভায় সাধারণ নেতা-কর্মীদের সাথে হাত মেলানোর দৃশ্য জনগণের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বক্তব্যে নেই কোন গীবত, নেই কোন পরনিন্দা। শুধু নিজের পরিকল্পনা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরে নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন তারেক রহমান। কৃষক কার্ড, ফেমেলি কার্ড, হেলথ কার্ড সহ নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগান কে ধারণ করে। সাধারণ মানুষ তারেক রহমান কে বরণ করে নেন হ্নদয় দিয়ে। তরুণদের কাছে যাওয়ার জন্য বিভাগীয় শহরে ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান অনুষ্ঠানে সরাসরি জেন-জি দের সাথে কথা বলেন। যা তরুণ নতুন ভোটারদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছিল। সরাসরি তারেক রহমান কে প্রশ্ন করার সুযোগ কাজে লাগান তরুণ প্রজন্ম। নানাবিধ প্রশ্ন করেন যা তারেক রহমান খুব সুন্দর সাবলীল ভাবে উত্তর দিয়ে জেন-জি দের মনে জায়গা করে নেন। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় একটু ভিন্নতা চোখে পড়ার মতো ছিলো।
‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হিসেবে সামনে রেখে গত ৬ ফেব্রুয়ারী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছিলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি ইনসাফ-ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দলটি সুদৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আসন্ন নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন । এমন কি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তাও ২ টি আসন থেকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিএনপি। এই ইশতেহারের শ্লোগান হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে ইশতেহারে ৯টি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে বিএনপি। ইশতেহারকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এতে মোট ৫১টি দফাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে জনমত জরিপ ও নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে করেছে বিচার বিশ্লেষণ। এনিয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট তাদের সর্বশেষ বিশ্লেষণে যা ফুটে উঠেছে, তাই প্রকাশ করেছে তাদের নিজস্ব মাধ্যমে। তাদের প্রকাশিত তথ্যে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এগিয়ে ছিলেন।
নির্বাচনের পূর্বে তারেক রহমানকে নিয়ে এমন সময়ে এ পূর্বাভাস দেয়া হলো, যখন টাইম ম্যাগাজিন, ব্লুমবার্গসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তাকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শক্ত অবস্হানে এগিয়ে রাখেন।
জনমতে এগিয়ে থাকার বিষয়টি গত ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘটনাও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে সাময়িকীটিতে । ঐপ্রতিবেদনে বলা হয়, বুলেটপ্রুফ বাসে করে রাজধানীতে প্রবেশের সময় বিপুল সংখ্যক সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন। উচ্ছ্বাসের কারণে বাসটি কয়েক মাইল পথ খুব ধীরগতিতে চলতে থাকে, যেন সমর্থকেরা কাছ থেকে তাকে দেখতে পারেন। ঢাকার অদুরে ৩০০ ফিটে রাজকীয় অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে এদেশের আপামর জনসাধারণ প্রিয় নেতা তারেক রহমান কে বরণ করে নেন।
সবার আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এমন ভোট প্রয়োগ করে নি স্বাধীনতার পর। সেনাবাহিনীর ভুমিকা ছিল প্রশংসনীয়। ছোট খাটো কিছু ভূল ত্রুটি বাদ দিলে নির্বাচন ছিলো ইতিহাসের সেরা। এই প্রথম নির্বাচনী সহিংসতায় বাংলাদেশে কোন মানুষ মারা যায় নি। প্রশাসনের এমন নিরপেক্ষতা আজীবন মনে রাখবে এদেশের জনগণ। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদ দেশ ও জাতীর স্বার্থে একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওযার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। দেশবাসী অন্তবর্তী সরকারের নানাবিধও সমালোচনা স্বত্বেও নির্বাচনের মতো গুরু দায়িত্বটি যথাযথ ভাবে পালন করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে এমন আশা প্রকাশ করেন। পলাতক ফ্যাসিস্ট খুনী হাসিনার মতো কোন দানব ক্ষমতা আকড়ে ধরে থাকতে চাইবে না এমন প্রত্যাশা করেন। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদল হবে এটাই স্বাভাবিক।
তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নবজাগরণের বসন্তে জেগে উঠেছে দেশ। পরিবর্তনের প্রত্যাশায় জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ, দৃঢ় ও আশাবাদী। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়েছে। মানুষ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতীক ধানের শীষে ভোট দিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপি কে বিজয়ী করেছে। এ বিজয় ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামের। মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার বিজয়। দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার বিজয় ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘদিন ধরে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়—সবখানেই দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও জনসম্পৃক্ততা প্রমাণ করে, জনগণ পরিবর্তন চায়। আজকের এই বিজয় দীর্ঘ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের ফসল। হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম। গুম খুন জেল-জরিমানা, গায়েবি মামলার বেড়াজাল, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র গণতন্ত্রের লড়াইয়ে পলাতক খুনী হাসিনার বিরুদ্ধে আমৃত্যু আপোষহীন সংগ্রাম। সব মিলিয়ে ১৭বছরের সুদীর্ঘ লড়াইয়ে আবারও জয়ী হলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর বিএনপির ধানের শীষ। ধানের শীষ আজ এদেশের জনগণের হ্নদয়ের প্রতীক। তারেক রহমানের আগমনের পর থেকেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছে তারেক বসন্ত। এই ভূমিধস বিজয় তারই ধারাবাহিকতা।
এই বসন্ত হোক গণমানুষের জয়ের প্রতীক। মানুষের শান্তির প্রতীক। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নেতৃত্বে বিএনপির ভূমিধস বিজয় জন রায়ের প্রতিফলন। গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যাক প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। তারেক রহমানের কাছে এদেশের জনগণের প্রত্যাশা অনেক। খুনী হাসিনা দেশের সকল প্রতিষ্ঠান কে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন। ভঙ্গুর অর্থনীতি দেশের সকল বিভাগ কে নগ্ন দলীয়করণ করে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করে গেছেন। বিএনপি সরকার কে সব কিছু মাথায় নিয়ে শতো প্রতিকূলতার বাঁধা মোকাবিলা করে দেশের মানুষের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। বিএনপির এ নিরংকুশ ম্যান্ডেট তারেক রহমানের নেতৃত্বের জিয়া পরিবারের প্রতি নিরব সমর্থন। মানবিক ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ বির্নিমানে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে জানাই দেশের আপামর জনসাধারণের পক্ষ থেকে অগ্রীম লাল গোলাপের শুভেচ্ছা। বিএনপির হাত ধরে এদেশে গণতন্ত্রের এ নবযাত্রা হোক শুভ ও সুন্দর।
লেখক: সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। ০১৮১৯৬১৭৩৮০, [email protected]










