আজ শুক্রবার ║ ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ২৫শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

সর্বশেষ:

    চট্টগ্রামে রক্তপাত ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ভোট: সন্তোষ প্রকাশ ডিসির

    Share on facebook
    Share on whatsapp
    Share on twitter

    চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর সহযোগিতায় চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলার সব আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার আগ মুহূর্তে তিনি এসব কথা বলেন।
    জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রথমেই আমি কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সম্মানিত ভোটারদের, যাঁরা দিনটিকে উৎসবমুখর করে তুলেছেন। অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে এসেছেন; ঢাকার বাইরে অবস্থান করেও ছুটে এসেছেন ভোট দিতে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দিনটিকে আরও অর্থবহ করেছে।”
    তিনি বলেন, দুই মাসের বেশি সময় আগে তফসিল ঘোষণার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, আজ তারই বাস্তবায়ন হয়েছে। “বাংলাদেশ যে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, তা বিশ্বকে দেখানো আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল,” বলেন তিনি।
    মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দাবি করেন, কোনো রক্তপাত, কেন্দ্র বন্ধ বা বড় ধরনের অভিযোগ ছাড়াই চট্টগ্রামে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। “আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, চট্টগ্রামে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দেব। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছি,” বলেন তিনি।
    তিনি জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, আনসার, পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করেছে।
    নির্বাচনী প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। “এ নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়; এটি রাষ্ট্র মেরামতের একটি আয়োজন—এই বার্তাই আমরা পৌঁছে দিয়েছি,” বলেন তিনি।
    গণমাধ্যমের ভূমিকাও ইতিবাচক ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “শুরু থেকেই গণমাধ্যম সহযোগিতা করেছে। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা ভোটারদের আস্থা ধরে রাখতে পেরেছি।”
    জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কাজের ফলে রক্তপাতহীন ও অভিযোগবিহীন নির্বাচন সম্ভব হয়েছে। এখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করতে যাচ্ছি।”

    Share on facebook
    Share on twitter
    Share on whatsapp
    Share on linkedin
    Share on telegram
    Share on skype
    Share on pinterest
    Share on email
    Share on print