আজ বুধবার ║ ৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║২৩শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ১৮ই রজব, ১৪৪৭ হিজরি

সর্বশেষ:

    রাজনীতি ও সমাজসেবায় এক সম্ভাবনাময় নাম ব্যারিস্টার মীর হেলাল

    Share on facebook
    Share on whatsapp
    Share on twitter

    ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দীন, সমসাময়িক রাজনীতি ও সমাজসেবার অঙ্গনে এক পরিচিত ও সম্ভাবনাময় নাম। পেশাগত জীবনে তিনি একজন দক্ষ ও প্রাজ্ঞ আইনজীবী হলেও রাজনীতি, সমাজসেবা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁকে আলাদা পরিচয়ে পরিচিত করেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তিনি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূলের সঙ্গে সংযোগ এবং রাজনৈতিক সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক তৎপরতা এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।
    ব্যারিস্টার মীর হেলাল রাজনীতিতে এসেছেন একটি সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ঐতিহ্য বহন করে। তিনি সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক মেয়র মীর মো. নাছির উদ্দিনের পুত্র। পিতার কাছ থেকেই তিনি জনসেবার আদর্শ, নেতৃত্বের শিষ্টাচার এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা পেয়েছেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই মনে করেন। তবে পারিবারিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে নিজ যোগ্যতা, শিক্ষা ও কর্মের মাধ্যমে তিনি নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন, এটাই তাঁর রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি।

    দলীয় রাজনীতিতে তাঁর অবদান বহুমাত্রিক। বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তিনি সংগঠনকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কাজ করছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সাংগঠনিক সভা, রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে একজন পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল সংগঠক হিসেবে পরিচিত করেছে। বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষিত সমাজকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে তাঁর আগ্রহ ও উদ্যোগ দলীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
    চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ব্যারিস্টার মীর হেলাল এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে কথা বলছেন, সমস্যা শুনছেন এবং সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সুশাসন, এই বিষয়গুলো তাঁর রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতি যদি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব সমস্যার সমাধান দিতে না পারে, তবে সেই রাজনীতি অর্থহীন হয়ে পড়ে। এই দর্শন থেকেই তিনি নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সচেষ্ট।
    রাজনীতির পাশাপাশি তাঁর সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড তাঁকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে এনে দিয়েছে। শিক্ষা সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণ এবং অসহায় মানুষের আইনি সহায়তায় তিনি দীর্ঘদিন সময় ধরে যুক্ত। একজন আইনজীবী হিসেবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তিনি আপসহীন। অসচ্ছল ও নির্যাতিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে তিনি সমাজে আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখছেন।
    ব্যারিস্টার মীর হেলালের রাজনীতির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো তাঁর ভদ্রতা ও সহনশীলতা। ভিন্নমতকে সম্মান করা, যুক্তির মাধ্যমে কথা বলা এবং সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা তাঁকে একজন পরিণত রাজনীতিক হিসেবে চিহ্নিত করে। বর্তমান সময়ের উত্তপ্ত রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই গুণগুলো তাঁকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
    সব মিলিয়ে ব্যারিস্টার মীর হেলাল কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি নন; তিনি নিজ কর্মগুণে গড়ে ওঠা এক সম্ভাবনাময় নেতা। বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্ব, চট্টগ্রাম-৫ আসনের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা এবং সমাজসেবায় তাঁর নিরলস ভূমিকা, সবকিছু মিলিয়ে তিনি আজ একটি উদীয়মান নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। অনেকের চোখে তিনি আগামী দিনের দায়িত্বশীল, মানবিক ও জনমুখী রাজনীতির এক উজ্জ্বল আশার নাম।
    প্রচলিত আছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খুব আস্থাভাজন ব্যক্তি ব্যারিস্টার মীর হেলাল। তিনি এমপি নির্বাচিত হলে স্থানীয়রা যেভাবে উপকৃত হতে পারেন তার একটি ধারণা তুলে ধরা হলো:
    ব্যারিস্টার মীর হেলাল চট্টগ্রাম ৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে স্থানীয় জনগণের জন্য উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবায় একটি বাস্তবভিত্তিক ও মানবিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হবে, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন এলাকার সচেতন মানুষ। তাঁর শিক্ষা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা স্থানীয় উন্নয়নকে নতুন গতিপথে নিতে পারে।
    প্রথমত, শিক্ষা খাতে গুণগত পরিবর্তন আসার সুযোগ তৈরি হবে। এমপি হিসেবে তিনি এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষকের সংকট নিরসন এবং ডিজিটাল শিক্ষা সুবিধা সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেলে একটি প্রজন্ম দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে পুরো এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
    দ্বিতীয়ত, স্বাস্থ্যসেবায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে। হাটহাজারী এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশিত। পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য ক্যাম্প, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হতে পারে।
    তৃতীয়ত, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। স্থানীয় যুবসমাজের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় করতে পারেন তিনি। এতে বেকারত্ব কমবে, তরুণরা স্বাবলম্বী হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক চাকা সচল হবে।
    চতুর্থত, অবকাঠামো উন্নয়নে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে পারে। সড়ক যোগাযোগ, ব্রিজ-কালভার্ট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ উন্নয়নে পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে গ্রাম ও শহরের বৈষম্য কমবে। বিশেষ করে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের সুবিধা বাড়লে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা সরাসরি উপকৃত হবেন।
    পঞ্চমত, আইনের শাসন ও নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা বাড়বে। একজন আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হবেন। ভূমি জটিলতা, পারিবারিক বিরোধ, হয়রানিমূলক মামলা ও সেবা পেতে ঘুষের সংস্কৃতি কমাতে তিনি সংসদীয় ভূমিকার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর তদারকি গড়ে তুলতে পারেন। এতে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় সেবায় আস্থা ফিরে পাবে।
    ষষ্ঠত, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন জোরদার হবে। নারীদের আত্মকর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বিশেষ নজর দিলে পরিবার ও সমাজ উভয়ই উপকৃত হবে। পাশাপাশি বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য ভাতা ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে।
    সবশেষে বলা যায়, ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি নির্বাচিত হলে হাটহাজারীর মানুষ একজন সহজপ্রাপ্য, শিক্ষিত ও জনবান্ধব প্রতিনিধিকে পাশে পাবে, যিনি কেবল সংসদে নয়, মাঠে-ময়দানে থেকেও মানুষের কথা বলবেন। উন্নয়ন ও রাজনীতির মধ্যে মানবিকতার সেতুবন্ধন তৈরি হলে স্থানীয়রা শুধু অবকাঠামোগত নয়, সামাজিক ও মানসিকভাবেও উপকৃত হবেন, এমন প্রত্যাশাই আজ এলাকার মানুষের।##

    Share on facebook
    Share on twitter
    Share on whatsapp
    Share on linkedin
    Share on telegram
    Share on skype
    Share on pinterest
    Share on email
    Share on print