আজ শনিবার ║ ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আজ শনিবার ║ ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ║১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ║ ১৪ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

সর্বশেষ:

    আমরা শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নবতর উপায়ে সংগ্রাম শুরু করব:আব্দুল্লাহ আল নোমান

    Share on facebook
    Share on whatsapp
    Share on twitter

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, নদীর জোয়ার বালির বাঁধ দিয়ে থামানো যায় না। শহীদের রক্তাক্ত সংগ্রামে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, লড়াই করছি। বালির বাঁধ ভেঙ্গে আমাদের জোয়ার এগিয়ে চলেছে। আমরা আজ এখানে নবতর উপায়ে সংগ্রাম শুরু করব। সে সংগ্রামে লড়াই হবে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এক দফা আন্দোলনের। আমরা চাই দেশের জনগণের ক্ষমতা জনগণকেই ফিরিয়ে দিতে। এ লড়াই দেশের জনগণের কন্ঠ রোধ করে সর্বক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে তার বিরুদ্ধে। সে বাধাকে উপেক্ষা করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব। আমরা সরকারকে এটা বলতে চাই, বালির বাঁধ কখনও টিকবে না। জোয়ারের পানি এগিয়ে যাবে।

    তিনি শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে এনায়েত বাজার মোড়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবসের বিজয় র‍্যালী পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল থেকে মহানগর বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীরা রংবেরঙের সাজে এনায়েত বাজার মোড়ে সমবেত হয়। সেখানে সমাবেশ শেষে আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে এক বিশাল বিজয় র‍্যালী নিয়ে জুবলি রোড, তিন পুলের মাথা হয়ে নিউমার্কেট সংলগ্ন অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।

    মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।

    এসময় নোমান বলেন, আমাদের দলের নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কারাগারে আছেন। অবিলম্বে তাকে মুক্তি না দিলে কারাগার ভেঙ্গে আমরা তাকে মুক্ত করবো। আমাদের নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস সহ সকল রাজবন্দীদের মুক্ত করবো। এ মুক্তি আন্দোলনের মধ্যে করতে হবে। এ সরকারের কাছে চাওয়ার কিছু নেই। সরকার ধ্বসে পড়েছে। আমরা জয়ের মুখোমুখি, বিজয় অর্জনের প্রাক্কালে।

    নোমান বলেন, সরকার বার বার চেষ্টা করেছে আমাদের সব কর্মসূচি ব্যর্থ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু একটি কর্মসূচিও ব্যর্থ হয়নি। বরং কর্মসূচিগুলো অসাধারণ হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের একদফা আন্দোলনের কায়েম না হবে ততদিন আমাদের সংগ্রাম চলবে। আমরা বলতে চাই, বালির বাঁধ যতই বড় দেখা যাক সে বালির বাঁধ থাকবে না। আমরা বালির বাঁধের বিরুদ্ধে।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এস এম ফজলুল হক বলেন, শেখ হাসিনার সরকারই শেষ সরকার নয়। আজ হোক কাল হোক বিদায় তাদের অনিবার্য পরিণতি। পৃথিবীর প্রতিটি স্বৈরাচারে পতন হয়েছে করুণভাবে। বিএনপির নেতাকর্মীকে জেলে পুরে গোটা দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে।

    প্রধান বক্তার বক্তব্যে মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করেই আমরা একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম। এই যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। কিন্তু আজকে এই দেশ সম্পূর্ণভাবে গণতন্ত্রবিহীন হয়ে পড়েছে। এই দেশে আজ মানুষের ভোটের অধিকার নেই। সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো হরণ করা হয়েছে। মানুষের অধিকার হরণ করে আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

    সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশের মানুষ এবং গণতান্ত্রিক বিশ্বের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে আওয়ামী ডামি, আওয়ামী স্বতন্ত্র, আওয়ামী নৌকা, মনোনীত নৌকার এক অদ্ভুত নির্বাচনের আয়োজন চলছে। একই ক্লাবের খেলা। খেলোয়াড়ও একই দলের। নিজেরাই নিজেদের বিরোধী দল। ভোটারদের কাছে আহ্বান, জবরদস্তি করলেও ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। ভোট বর্জন করুন। শেখ হাসিনার ভোটরঙ্গ রুখে দিন।

    এ এম নাজিম উদ্দীন বলেন, আজকে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে দেয়া হচ্ছে না। ক্ষমতাসীনেরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে গোটা জাতিকে বিকৃত ইতিহাস দিচ্ছেন। বর্তমানে দেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো রাজনীতি নেই, আছে শুধু দলনীতি।

    আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপি স্বাধীনতার ঘোষক সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের দল। চট্টগ্রামের মাটি থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে যে স্বপ্ন নিয়ে বীর জাতি অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল সে স্বপ্ন আজ ভূলুণ্ঠিত। আওয়ামী লীগ সরকার ভোটাধিকার হরণ করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছে।

    এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক এড. আবদুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দীন, এস এম সাইফুল আলম, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, জয়নাল আবেদীন জিয়া, হারুন জামান, মাহবুব আলম, জসিম উদ্দিন শিকদার, এস এম আবুল ফয়েজ, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, মো. কামরুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহার, কেন্দ্রীয় মহিলাদলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হাজী মো. সালাউদ্দীন, মোশাররফ হোসেন ডেপটি, আবদুস সাত্তার সেলিম, মো. সেকান্দর, হাজী হানিফ সওদাগর, আবদুল্লাহ আল হারুন, থানা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, জাহিদুল হাসান, মো. শাহাবুদ্দীন, হাজী বাদশা মিয়া, জসিম উদ্দিন জিয়া, মাঈনুউদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, মনির আহম্মেদ চৌধুরী, আবদুল কাদের জসিম, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, জাহাঙ্গীর আলম, গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, কাওসার হোসেন বাবু, কৃষকদলের আহবায়ক মো. আলমগীর, তাঁতীদলের মনিরুজ্জামান টিটু প্রমূখ।

    Share on facebook
    Share on twitter
    Share on whatsapp
    Share on linkedin
    Share on telegram
    Share on skype
    Share on pinterest
    Share on email
    Share on print

    সর্বাধিক পঠিত

    আমাদের ফেসবুক

    আমাদের ইউটিউব