
নিশি নামে আকাশ জুড়ে ঝরে তারার আলো,
তুমি এলে পাশে বসে মনের সব বলা হলো।
চাঁদের নরম রূপালি ঢেউ ভেসে আসে প্রাণে,
তোমার চোখের গভীরতা মিশে যায় সেই টানে।
হাওয়ার সাথে ভেসে আসে গোপন কিছু গান,
তুমি আর আমি মিলে রচনা করি স্বপ্ন ভুবন।
আঁধার ভেদ করে জোছনা যখন ছুঁয়ে যায় মুখ,
তোমার হাসিতে পাই আমি জীবনের সুখ।
নিশি তখন রঙিন হয়ে ওঠে অদৃশ্য মায়ায়,
প্রতিটি মুহূর্ত জমে থাকে চিরন্তন ছায়ায়।
যতক্ষণ নিশি বেঁচে থাকে নিঃশব্দ রাতজুড়ে,
ভালোবাসা জেগে থাকে তুমি-আমি দু’জন মিলে।
নিশি নামে নেমে আসে নীরব আঁধার,
তারা জ্বলে দূরে, ফিসফিস করে সংসার।
চাঁদের আলো ছুঁয়ে যায় নদীর বুক,
নিস্তব্ধ আকাশে বাজে অদৃশ্য সুরের সুখ।
নিশি ডাকে ক্লান্ত প্রাণে বিশ্রামের গান,
ঘুমপাড়ানি ছড়ায় সে অচেনা অজান।
হৃদয় ভেসে যায় স্মৃতির স্রোতে,
নিশির আঙিনায় মায়া লুকিয়ে থাকে।
কেউ শোনে নিশিরে বিরহের সুর,
কেউ বা খুঁজে পায় ভালোবাসার নূর।
অন্ধকারে জেগে থাকে আশা-আকুলতা,
নিশি তো এক রহস্য, গভীরতা, নীরবতা।
নিশি নামে নীরবতায় মিশে যায় ধ্বনি,
অন্তরের গভীরে জাগে চিরন্তন ধ্যানগুণী।
তারা যেন স্মরণ করায় স্রষ্টার মহিমা,
অন্ধকারও ডেকে আনে আলোরই প্রতিমা।
চাঁদ ডোবে, তবু রূপালি স্রোত থাকে জাগ্রত,
যেন বলে—অন্ধকার শেষে আলো হবে অবিরত।
নিশির বুক ভরে যায় সৃষ্টির রহস্যে,
হৃদয় ডুবে যায় অজানার মহাপ্রবাহে।
নিশি শেখায়,সবই ক্ষণিক, স্থায়ী শুধু সে,
যিনি আছেন অনাদি থেকে অনন্ত কালে।
অন্ধকারের নীরবতায় তাই খুঁজে পাই আশা,
নিশির আঁধার পেরিয়ে মেলে ঈশ্বরের ভাষা।









