আজ বৃহস্পতিবার ║ ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে দাবা প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter

দাবা শিশুদের শুধু চিন্তার গভীরতা, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হিসাবনিকাশ ও মনোযোগ আনতেই সাহায্য করে না, বাচ্চাদের নিজের দায়িত্ব নিজেকে নিতেও শেখায়। শিশুদের সামাজিক আচরণেও বেশ ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে দাবা। তাইতো শিশুদের দাবা খেলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে মাসব্যাপী দাবা প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার অয়োজন করেছে প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল জুনিয়র স্কুল।

২১ দিনব্যাপী শ্রেণী ভিত্তিক প্রথম শ্রেণী ও দ্বিতীয় শ্রেণীর দাবা প্রশিক্ষণ শেষে গত ১-৫ সেপ্টেম্বর পাঁচ রাউন্ড সুইস-লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত পাঁচদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম শ্রেণী থেকে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মুসাব বিন রনক ও রানার্স আপ হয়েছেন মোহাম্মদ আহিল হক।

দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মিদরার উদ্দিন এবং রানার্সআপ হয়েছেন তাফহিম ওয়াফিক। এছাড়াও প্রথম শ্রেণী থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন মোহাম্মদ মুহাইমিন নওশাদ, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন ওবায়দুল্লাহ তিবিয়ান ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন ওয়াসি উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন আরশ মাহির, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন আব্দুল্লাহ রায়ান, তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন মো: আহনাফ আফরাজ সায়ান।

প্রতিযোগিতা শেষে সোমবার সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে অয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেয়া হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ সামছুদ্দিন ইলিয়াস।

প্রধান অতিথির শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন, দাবা শিশুদের মানসিক বিকাশে সহায়ক ও কৌশলী হতে শেখায়। যারা দাবা খেলে তারা স্মৃতিশক্তিতে অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকে। রিডিং স্কিল উন্নত করে ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে দাবা খেলাকে বেশ গুরুত্ব দেয়া হয়। আরমেনিয়াতে সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ খরচ করে শিশুদের দাবা খেলায় আগ্রহী করে তোলে। দেশের সব স্কুলে দাবা প্রতিযোগিতা আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি খেলাধুলার পাশাপাশি শিশুদের পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য যেখানে সেখান না ফেলার আহবান জানান। এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on linkedin
Share on telegram
Share on skype
Share on pinterest
Share on email
Share on print