আজ মঙ্গলবার ║ ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

চট্টগ্রামের ’চিটাগং’ শব্দ ফেরত দেয়ার দাবি মাহমুদুল ইসলামের

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন মেয়র ও সাবেক সাংসদ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, বাংলায় চট্টগ্রাম আর ইংরেজিতে চিটাগং এটা চট্টগ্রামের একটা ঐতিহ্য। বাংলাদেশের সকল জেলার নাম বাংলা ও ইংরেজিতে একই হলেও শুধুমাত্র চট্টগ্রামেরই ইংরেজিতে আরেকটি শব্দ ছিল যেটি ’চিটাগং’ নামে পরিচিত। আমরা আমাদের ঐতিহ্য ফেরত দেয়ার দাবি জানাই। যেটি আওয়ামী লীগ সরকার কেড়ে নিয়েছিল। সেই সময় তেলবাজির কারনে কেউ প্রতিবাদ করেনি কিন্তু এখন সময় এসেছে আমাদের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার।
শুক্রবার (২০ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে অনলাইন গণমাধ্যম সময়ের কন্ঠস্বর এর একযুগ পূর্তী উপলক্ষে আয়েজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জন্মের আগে চট্টগ্রাম তথা চিটাগং এর জন্ম হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিটাগং শব্দটি বেশ পরিচিত। চট্টগ্রাম বন্দরের বয়স ১৩৮ বছর যা চিটাগং পোর্ট নামে বিশ্বে পরিচিত। এখন এটিকেও চট্টগ্রাম লিখতে হয়, যা আমাদের হৃদয়ে রক্তখরণের সামিল। শুধু তাই নয় এরকম অনেক শব্দই পরিবর্তণ হয়েছে, এতে একদিকে যেমন ঐতিহ্য হারাচ্ছে অন্যদিকে প্রশাসনিক সমস্যাও হচ্ছে। ফলে আমরা আমাদের ঐতিহ্যের এই শব্দটি ফেরত দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই। একই সাথে এবিষয়ে সোচ্চার হতে সাংবাদিকদের প্রতিও আহবান জানান তিনি। বর্তমানে দেশের প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রামের লোক, আমরা আশা করছি বিষয়টি তিনি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।
অনলাইন গণমাধ্যম সম্পর্কে তিনি বলেন, এখন দিনদিন অনলাইন পোর্টালের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। যেমন ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের আপডেট আমরা মূহুর্তেই পেয়ে যাচ্ছি অনলাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে। ঠিক তদ্রুপ সময়ের কন্ঠস্বরও এই অগ্রযাত্রার সঙ্গী হিসেবে দীর্ঘ একযুগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। সময়ের কন্ঠস্বর যেন গণমানুষের কন্ঠস্বর হয়ে উঠতে পারে, সে কামনাই করি। সময়ের কণ্ঠস্বর তার যাত্রার শুরু থেকেই পাঠকনির্ভর, বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রেখেছে। সাহসিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে পত্রিকাটি পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্যসচিব ও আমার দেশ এর আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি বলেন, এখন সব প্রিন্ট মিডিয়াগুলো মাল্টিমিডিয়া বিভাগ চালু করেছে। এতে করে প্রতীয়মান হয়, অনলাইনের জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাঠকরাও অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে। সময়ের কন্ঠস্বর এই প্ল্যাটফরমে দীর্ঘ একযুগ পার করেছে। আমি এই পোর্টালটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি।
সময়ের কন্ঠস্বরের বার্তা সম্পাদক রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক ইছহাক হোসেন ও সাফা মারওয়ার যৌথ সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও দৈনিক সকালের সময়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস এম পিন্টু, বাংলাদেশ বুলেটিন’র ব্যুরো প্রধান কামরুজ্জামান রনি, চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন, জাতীয় ছাত্র সমাজের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য নাছির উদ্দীন সিদ্দিকী ও সময়ের কন্ঠস্বর এর গাজী গোফরান।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাঁশখালী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি লায়ন মো. আমিরুল হক এমরুল কায়েস, সাংবাদিক এম আর আমিন, আব্দুল মতিন চৌধুরী রিপন, আশিক আরেফিন, জাহেদুল ইসলাম, রাকিব উদ্দিন, রাজু আহমেদ, শাকিল আহমেদসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মীগণ। একুশে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা শামিম উল্লাহ আদিলের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on linkedin
Share on telegram
Share on skype
Share on pinterest
Share on email
Share on print