
ক্ষুধার্ত পেট কোনোদিন ন্যায় মানে না,
শূন্য হাঁড়িতে স্বপ্ন বোনা যায় না।
যে মায়ের বুকের দুধ শুকিয়ে যায় তৃষ্ণায়,
সে মায়ের অভিশাপ ইতিহাসে ঝড় তোলে নিঃশব্দ নিশ্বাসে।
ক্ষুধার্ত শিশু কাঁদে, পিতার চোখে শূন্যতা,
কোনো শাসক কি বোঝে তাদের ব্যথার মহত্ত্ব?
রুটি-ভাতহীন টেবিলে জমে কেবল ধ্বনি,
অভাবই শেখায় বিদ্রোহ, ভাঙে শাসনের গর্বমনি।
যারা ভরপেট খেয়ে বলে— সবই শান্তির গান,
তারা শোনে না ক্ষুধার্তের রক্তভেজা প্রাণ।
তবু একদিন এই ক্ষুধাই জ্বালায় দাবানল,
অত্যাচারের সিংহাসন হয় ভস্মীভূত চল।
ক্ষুধার্থের কান্না যখন আগুনে রূপ নেয়,
রাজপ্রাসাদ কাঁপে, মুকুট ভেঙে যায়।
ইতিহাস শেখায়, ক্ষুধাই সর্বশক্তিমান,
ক্ষুধার্তের বিদ্রোহে বদলায় যুগ-জগৎ-বিধান।
খবরটি পড়েছেন : ২০ ৪









