কলঙ্কিনী নামটি যেন শিকল হয়ে যায়,
সমাজের ঠোঁটের ফিসফাসে জীবন রঙ হারায়।
তোর হাসি ঢেকে ফেলে সন্দেহের দেয়াল,
সত্য হলেও রটে যায় মিথ্যে অভিযোগ কাল।
তুই কি তবে অপরাধী, নাকি সমাজের ভ্রান্তি?
অন্যায়ের দায় ঢেকে দেয় তোকে কলঙ্কের কান্তি।
নারীর জীবনে লেগে থাকে এই তকমার বোঝা,
যেন জন্ম থেকেই নিয়তি শুধু দোষের খোঁজা।
তোর চোখের জলে কে দেখেছে অন্তরের ব্যথা?
কে বুঝেছে অশ্রুর ভেতর হারানো পথের কথা?
তোর ত্যাগ, তোর প্রেম, তোর মানবিক আলো—
সব চাপা পড়ে যায় দোষের অন্ধকার ঢালো।
কলঙ্কিনী, তুই আসলে ভোরের প্রথম কিরণ,
অন্যায়ের অন্ধকারে তুই বিদ্রোহী জাগরণ।
সমাজের কপট দৃষ্টিকে ভাঙতে তুই শিখা,
তোর রক্তে ফুটুক নতুন মুক্তির দিশা।
একদিন তোর নাম হবে ইতিহাসের গান,
কলঙ্ক নয়, তুই হবি জাগরণের প্রাণ।
যারা দিয়েছিল দোষ, তারাই জানবে শেষে—
কলঙ্কিনী আসলে মুক্তি, আলোর বেশে।